ইমামের কথার কারণে শরীয়ত পরিবর্তণ করা অবৈধ:
কারণ ইসলাম আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য ধর্ম যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে পেয়েছি। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ থেকে কিছুই বলেন না,শুধু মাত্র যা আল্লাহ বলেন তা বলতেন,অতএব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা অন্য কোন মানুষের কথার কারণে প্রত্যাহার করার অর্থ হল আল্লাহর কথা প্রত্যাহার করা। যেমন আল্লাহ বলেন;
ক. ্রوَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَىগ্ধএবং(নবী) প্রবৃত্তির তাড়নায় কথা বলেন না। কুরআন ওহী,যা প্রত্যাদেশ হয়।(সুরা নাজম ৫২:৩-৪)।
খ.্রوَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُبِينًاগ্ধ
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। (সূরা আহযাব ৩৩: ৩৬)।
গ. ্রقُلْ مَا يَكُونُ لِي أَنْ أُبَدِّلَهُ مِنْ تِلْقَاءِ نَفْسِي إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَى إِلَيَّ إِنِّي أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّي عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ গ্ধ
বলে দাও,একে নিজের পক্ষ থেকে পরিবর্তিত করা আমার কাজ নয়। আমি সে নির্দেশেরই আনুগত্য করি,যা আমার কাছে আসে। আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানী করি,তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি।(সুরা-ইউনুস ১০:১৫)।
ঘ. ্রقُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ قُلْ أَطِيعُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْكَافِرِينَ গ্ধ
বলুন,যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস,তাহলে আমাকে অনুসরণ কর,যাতে আল্লাহও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী ও দয়ালু। বলুন,আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে,তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।(সুরা-আল-ইমরান ৩:৩১-৩২)।
ঙ. আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়ল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের পিয়াজ ও রসুন খেয়ে মসজিদের পাশে আসতে নিষেধ করলে,সাহাবারা বলবলি করতে লাগলেন, এ গুলো হারাম হয়ে গেছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-্রأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ لَيْسَ بِي تَحْرِيمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لِي গ্ধ হে মানুষ! আমার এ অধিকার নাই,যা আল্লাহ হালাল করেছেন তাকে হারাম করার।(মুসলিম খন্ড ১ পৃ ৩৯৫ হা/৫৬৫)।
খিয়াল করুন! এ খানে নবীর পিয়াজ,রসুনকে হারাম করার অধিকার নায়,অথচ,একজন মুক্বল্লীদ রাফয়ুল ইদাইন,বড় করে আমীন বলা ইত্যাদিকে হারাম করছেন। কত বড় দুঃাহস !!! ।
চ. রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পথ ছাড়া অন্যসকল পথই গুমরাহীর পথ, এর প্রমাণ নি¤েœ-
1. যাবের রাদিয়ল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে,উমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়ল্লাহু আনহু একদিন তাওরাত(মুসা আলইহিস্ সালামের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ কিতাব) নিয়ে আসল,তখন উমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়ল্লাহু আনহু বলেন: হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটা তাওরাতের একটা কপি,তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ ছিলেন।
অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহ আনহু পড়া আরম্ভ করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা রাগে লাল হয়ে গেল,তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহ আনহু বলেন তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলোক!(এটা আরবদের রীতিতে বদ্ দু’আ) তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারার অবস্থা দেখনা ? তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারার দিকে দেখলেন,আর বললেন ‘আমি আল্লাহ ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গজব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চায়, অতঃপর বলেন,আমি আল্লাহকে রব হিসাবে/ইসলামকে ধর্ম হিসাবে/মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর নবীও রাসূল হিসাবে সন্তুষ্ট হয়েছি’। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
্রوَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ، لَوْ بَدَا لَكُمْ مُوسَى فَاتَّبَعْتُمُوهُ وَتَرَكْتُمُونِي، لَضَلَلْتُمْ عَنْ سَوَاءِ السَّبِيلِ، وَلَوْ كَانَ حَيًّا وَأَدْرَكَ نُبُوَّتِي، لَاتَّبَعَنِيগ্ধ
ঐ সত্ত্বার কসম যার হাতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণ আছে,আজ যদি মুসা(আঃ) আসত,আর তোমরা তাকে অনুসরণ করতে,আর আমাকে ছেড়েদিতে,তাহলে অবশ্যই তোমরা সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যেতে,আর মুসা আলাইহিস্ সালাম আজ জীবিত থাকত,এবং আমার নবুওয়াত পেত, আমাকে অনুসরণ ছাড়া তার কোন উপায় থাকত না। অন্য বর্ণনায় আছে,সে আমাকে অনুসরণ করত।(সুনান-দারামী খন্ড ১ পৃ ৪০৩) ।
2. উরওয়াহ(রঃ) ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা কে উদ্দেশ্য করে বলেন,আপনি কি মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করছেন? তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন হে উরওয়াহ সেটা কি? উরওয়াহ বলেন,আপনি এদেরকে এই যিল হজ্জের ১০ তারিখের মধ্যে উমরা করার আদেশ করছেন,অথচ এই দিনগুলোতে উমরা নাই। তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন,তুমি কি এই বিষয়ে তোমার মাকে জিজ্ঞাসা কর নি ? তখন উরওয়া বলেন আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা- এই দিনগুলোতে উমরা করত না/করার আদেশ করতেন না। তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন-
্রهَذَاالَّذِي أَهْلَكَكُمْ - وَاللَّهِ - مَا أَرَى إِلَّا سَيُعَذِّبُكُمْ , إِنِّي أُحَدِّثُكُمْ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ,وَتَجِيئُونِي بِأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَগ্ধ
এখান থেকে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাও/এটাই তোমাদরেকে ধ্বংস করেছে আল্লাহর কসম এ কারণে আল্লাহ তোমাদেরকে শাস্তি দিবে,আমি তোমাদেরকে আল্লাহর রাসূলের হাদীস বলছি,আর তুমি আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কথা দ্বারা তার বিরোধীতা করছ! ? (আল মাতালিবুল ইলমিয়াহ,ইবনে হাজর আসক্বালানী খন্ড ৭ পৃ ৯৬,হা/১২৯৭,আল,ফক্বীহ ওয়াল মুতাফাক্বিহ,খতীব বগদাদী,খন্ড ১ পৃ ৩৭৭-৭৮)
কারণ ইসলাম আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য ধর্ম যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে পেয়েছি। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ থেকে কিছুই বলেন না,শুধু মাত্র যা আল্লাহ বলেন তা বলতেন,অতএব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা অন্য কোন মানুষের কথার কারণে প্রত্যাহার করার অর্থ হল আল্লাহর কথা প্রত্যাহার করা। যেমন আল্লাহ বলেন;
ক. ্রوَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَىগ্ধএবং(নবী) প্রবৃত্তির তাড়নায় কথা বলেন না। কুরআন ওহী,যা প্রত্যাদেশ হয়।(সুরা নাজম ৫২:৩-৪)।
খ.্রوَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُبِينًاগ্ধ
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হয়। (সূরা আহযাব ৩৩: ৩৬)।
গ. ্রقُلْ مَا يَكُونُ لِي أَنْ أُبَدِّلَهُ مِنْ تِلْقَاءِ نَفْسِي إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَى إِلَيَّ إِنِّي أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّي عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ গ্ধ
বলে দাও,একে নিজের পক্ষ থেকে পরিবর্তিত করা আমার কাজ নয়। আমি সে নির্দেশেরই আনুগত্য করি,যা আমার কাছে আসে। আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানী করি,তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি।(সুরা-ইউনুস ১০:১৫)।
ঘ. ্রقُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ قُلْ أَطِيعُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْكَافِرِينَ গ্ধ
বলুন,যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস,তাহলে আমাকে অনুসরণ কর,যাতে আল্লাহও তোমাদিগকে ভালবাসেন এবং তোমাদিগকে তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী ও দয়ালু। বলুন,আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে,তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।(সুরা-আল-ইমরান ৩:৩১-৩২)।
ঙ. আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়ল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের পিয়াজ ও রসুন খেয়ে মসজিদের পাশে আসতে নিষেধ করলে,সাহাবারা বলবলি করতে লাগলেন, এ গুলো হারাম হয়ে গেছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-্রأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ لَيْسَ بِي تَحْرِيمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لِي গ্ধ হে মানুষ! আমার এ অধিকার নাই,যা আল্লাহ হালাল করেছেন তাকে হারাম করার।(মুসলিম খন্ড ১ পৃ ৩৯৫ হা/৫৬৫)।
খিয়াল করুন! এ খানে নবীর পিয়াজ,রসুনকে হারাম করার অধিকার নায়,অথচ,একজন মুক্বল্লীদ রাফয়ুল ইদাইন,বড় করে আমীন বলা ইত্যাদিকে হারাম করছেন। কত বড় দুঃাহস !!! ।
চ. রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পথ ছাড়া অন্যসকল পথই গুমরাহীর পথ, এর প্রমাণ নি¤েœ-
1. যাবের রাদিয়ল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে,উমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়ল্লাহু আনহু একদিন তাওরাত(মুসা আলইহিস্ সালামের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ কিতাব) নিয়ে আসল,তখন উমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়ল্লাহু আনহু বলেন: হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটা তাওরাতের একটা কপি,তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ ছিলেন।
অতঃপর উমর রাদিয়াল্লাহ আনহু পড়া আরম্ভ করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা রাগে লাল হয়ে গেল,তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহ আনহু বলেন তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলোক!(এটা আরবদের রীতিতে বদ্ দু’আ) তুমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারার অবস্থা দেখনা ? তখন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারার দিকে দেখলেন,আর বললেন ‘আমি আল্লাহ ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গজব থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চায়, অতঃপর বলেন,আমি আল্লাহকে রব হিসাবে/ইসলামকে ধর্ম হিসাবে/মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর নবীও রাসূল হিসাবে সন্তুষ্ট হয়েছি’। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
্রوَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ، لَوْ بَدَا لَكُمْ مُوسَى فَاتَّبَعْتُمُوهُ وَتَرَكْتُمُونِي، لَضَلَلْتُمْ عَنْ سَوَاءِ السَّبِيلِ، وَلَوْ كَانَ حَيًّا وَأَدْرَكَ نُبُوَّتِي، لَاتَّبَعَنِيগ্ধ
ঐ সত্ত্বার কসম যার হাতে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণ আছে,আজ যদি মুসা(আঃ) আসত,আর তোমরা তাকে অনুসরণ করতে,আর আমাকে ছেড়েদিতে,তাহলে অবশ্যই তোমরা সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যেতে,আর মুসা আলাইহিস্ সালাম আজ জীবিত থাকত,এবং আমার নবুওয়াত পেত, আমাকে অনুসরণ ছাড়া তার কোন উপায় থাকত না। অন্য বর্ণনায় আছে,সে আমাকে অনুসরণ করত।(সুনান-দারামী খন্ড ১ পৃ ৪০৩) ।
2. উরওয়াহ(রঃ) ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা কে উদ্দেশ্য করে বলেন,আপনি কি মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করছেন? তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন হে উরওয়াহ সেটা কি? উরওয়াহ বলেন,আপনি এদেরকে এই যিল হজ্জের ১০ তারিখের মধ্যে উমরা করার আদেশ করছেন,অথচ এই দিনগুলোতে উমরা নাই। তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন,তুমি কি এই বিষয়ে তোমার মাকে জিজ্ঞাসা কর নি ? তখন উরওয়া বলেন আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা- এই দিনগুলোতে উমরা করত না/করার আদেশ করতেন না। তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন-
্রهَذَاالَّذِي أَهْلَكَكُمْ - وَاللَّهِ - مَا أَرَى إِلَّا سَيُعَذِّبُكُمْ , إِنِّي أُحَدِّثُكُمْ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ,وَتَجِيئُونِي بِأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَগ্ধ
এখান থেকে তোমরা পথভ্রষ্ট হয়ে যাও/এটাই তোমাদরেকে ধ্বংস করেছে আল্লাহর কসম এ কারণে আল্লাহ তোমাদেরকে শাস্তি দিবে,আমি তোমাদেরকে আল্লাহর রাসূলের হাদীস বলছি,আর তুমি আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কথা দ্বারা তার বিরোধীতা করছ! ? (আল মাতালিবুল ইলমিয়াহ,ইবনে হাজর আসক্বালানী খন্ড ৭ পৃ ৯৬,হা/১২৯৭,আল,ফক্বীহ ওয়াল মুতাফাক্বিহ,খতীব বগদাদী,খন্ড ১ পৃ ৩৭৭-৭৮)
Comments
Post a Comment