Skip to main content

মাযহাবের সংজ্ঞা:

মাযহাবের সংজ্ঞা:
মাযহাবের আভিধানিক অর্থ: লিসানুল আরবে এর কয়েকটি অর্থ লিখেছেন।
ক. উজু খানা/শৌচাগার,কারণ সেখানে মানুষ বার বার যায় ।
খ. তরিক্বা বা পদ্ধতি
গ. উৎস বা আসল
ঘ. বিশ্বাস বা ধর্ম। (খন্ড ১ পৃ ৩৯৪)।
# আর মাযহাব যদি মাসদার মীমি নেয়া হয় তখন তার অর্থ কোথাও যাওয়া।
# যদি ইসমুজ জামান ওয়াল মাকান নেয়া হয় তার অর্থ হবে কোথাও যাওয়ার স্থান,যেখানে মানুষ বার বার যায়।
মাযহাবের পারিভাষিক সংজ্ঞা: ‘মাওয়াহিবুল জালীল ফি শরহি মুখতাসারীল খলীল’ (ইমাম মালেক (রঃ) এর মাযহাব এর উপর লিখিত গ্রন্থে) বলা হয়েছে মাযহাব অর্থ রাস্তা,পথ কোথাও যাওয়ার স্থান,কিন্তু পরবর্তীতে তা অন্য অর্থ ধারন করে। ‘কোন মুজতাহীদ ইমামের কোন গবেষনাকে বুঝায়,আর যে তা মানে তাকে মাযহাবী বলে’।

Comments

Popular posts from this blog

তাক্বলীদ-এর পরিণাম

তাক্বলীদ-এর পরিণাম প্রথম: তাক্বলীদের সর্বোপেক্ষা বড় কুফল হল দলীল বিমুখতা। মুক্বাল্লিদ ব্যক্তি আলেম বা জাহিল যে হুক না কেন,কুরআন ও হাদীস হতে সরাসরি জ্ঞান আহরণ করার অধিকার তার থাকে না। তাকে স্বীয় ইমাম বা মাযহাবী ফতওয়া অনুসারে কথা বলতে হয়। এই দলীল বিমুখতার ফলে প্রায় হাজার বছর পূর্বেকার বিভিন্ন ক্বিয়াসী সিদ্ধান্ত,যার কোন কোনটি কুরআন ও হাদীসের সরাসরি বিরোধী,তা ইসলামের নামে মুসলমানের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং যা আজও চলছে। দ্বিতীয়: তাক্বলীদের ফলে অনুসরণীয় ব্যক্তির প্রতি সৃষ্টি হয় অন্ধ ভক্তি। আর এর ফলেই সৃষ্টি হয় পারস্পরিক বিভেদ ও দলাদলি। এক ও অখন্ড মুসলিম মিল্লাত বিভিন্ন মাযহাবী দল ও উপদলে হওয়ার মূল কারণ হ’ল এই তাক্বলীদ। উল্লেখ্য: মুসলিম মিল্লাত বিভিন্ন মাযহাবী দল ও উপদলে বিভক্ত হওয়ার কারণে ৮০১ হিজরীতে কা’বা শরীফে চার মাযহাবের জন্য চার মুছাল্লা কায়েম করা হয়। তৃতীয়: তাক্বলীদের অনুসারী ব্যক্তি স্পষ্ট সহীহ হাদীস পাওয়া সত্ত্বেও তা মানতে পারেন না কেবল এই কারণে যে,হাদীসটি তাঁর মাযহাবের বিরুদ্ধে। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের উপরে বিদ্ধানগণের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দানকারী...

মাযহাবীরা মাযহাব মানার জন্য যেসব দলীল দেয় এবং সেগুলোর উত্তর:-

মাযহাবীরা মাযহাব মানার জন্য যেসব দলীল দেয় এবং সেগুলোর উত্তর:- ১নং দলিল কোরআন দ্বারা- তারা তাক্বলীদে শাখছী ওয়াজিবের প্রমাণস্বরূপ নি¤েœর আয়াত সমূহ উল্লেখ করেন। আল্লাহ বলেন- ্রيَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًاগ্ধ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর,নির্দেশ মান্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্তি হয়ে পড়,তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের  প্রতি প্রত্যার্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও ক্বেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এইটা কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।’(সূরা নিসা ৪:৫৯) তারা যেভাবে দলিল দেয়: এখানে আল্লাহ ‘ঊলুল আমর’ অর্থাৎ বিচারক/ফক্বীহ বা ইমামদের মানার জন্য বলেছেন,তাই “ঊলুল আমরকে’ মানা ওয়াজিব। সুতরাং এক ইমামকেই মানতে হবে। মাযহাব উত্তর: ‘ঊলুল আমর’ দ্বারা উদ্দেশ্য শাসকগণ,আলেম ও ফ...